সেতুটি চালু হওয়ায় নদীর দুই পারের মানুষের যাতায়াতে সময় কমেছে প্রায় দেড় ঘণ্টা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পনাটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর তাঁরা জোর দিয়েছেন।
পরবর্তী পদক্ষেপ
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে কয়েকটি এলাকায় কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তাঁদের মতে, কাজের মান ঠিক রাখতে নিয়মিত তদারকি জরুরি। অনেকে সময়মতো কাজ শেষ করার দাবিও জানিয়েছেন।

